Sunday, July 25, 2021

কেনো শিখবো জাভা প্রোগ্রামিং ? Why Java .!!!










Java প্রোগ্রামিং কেনো শিখবো ?


নিচে জাভা প্রোগ্রামিং শেখার কিছু কারণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।


১। Java শিখা খুবই সহজঃ জাভা খুব সুন্দর এবং সহজ একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। অনেক ভাল প্রোগ্রামাররা প্রোগ্রামিং শিখার জন্য প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে জাভা দিয়ে শিখা শুরু করতে বলে থাকেন, এর কারণ জাভা বুঝতে সহজ এবং এর মাধ্যমে প্রায় সকল কাজ করা যায়। জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার গঠন খুব সহজ এবং সাবলীল। [ তবে আমি বলবো আপনি যদি প্রোগ্রামিং এর একদম বেসিক Data Structure সম্পর্কে ভালো করে শিখতে চান তাহলে অবশ্যই C প্রোগ্রামিং দিয়ে শুরু করবেন। ]



২। Java শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষাঃ জাভা হচ্ছে শক্তিশালী একটি প্রোগ্রামিং ভাষা । জাভা দিয়ে অনেক জটিল প্রোগ্রামিং সমস্যা অনেক সহজেই সমাধান করা যায়। জাভার প্রচুর পরিমাণে লাইব্রেরী Method , class , Data Structure এবং Built in Collections রয়েছে যার মাধ্যমে সহজ এবং সুন্দর প্রোগ্রাম লিখা যায় এবং অনেক জটিল সমস্যার সমাধান করা যায়।



৩। Java একটি Object Oriented প্রোগ্রামিং ভাষাঃ Object Oriented হওয়ার কারনে জাভা প্রোগ্রামিং এর ধারনা বর্ণনাযোগ্য এবং সহজ। Object Oriented হচ্ছে একটি সফটওয়্যার সল্যুশন দৃষ্টান্ত, যার মাধ্যমে অনেক সহজে অনেক বড় বড় সফটওয়্যার ডিজাইন, সল্যুশন এবং বানানো হয়ে থাকে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে জাভা একটি পূর্ণ Object Oriented প্রোগ্রামিং ভাষা।

৪। Java প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার ক্ষেত্রঃ
১ এন্ড্রোয়েড অ্যাপ্লিকেশান ।
২ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশান ।
৩ গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস অ্যাপ্লিকেশান ।
৪ এমবেডেড সিস্টেম।
৫ বৈজ্ঞানিক অ্যাপ্লিকেশান ।
৬ এন্টারপ্রাইস অ্যাপ্লিকেশান ।
৭ ডেস্কটপ সফটওয়্যার ।



৫। পর্যাপ্ত শিখার উপকরণঃ জাভা প্রোগ্রামিং শিখার জন্য বাজারে অনেক ভাল বই পাওয়া যায় এবং অনলাইনে অনেক ভাল সাইট রয়েছে যেখানে বিনামূল্যে জাভা প্রোগ্রামিং শিখার পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে । YouTube এ অনেক ভাল বিভিন্ন ভাষার ভিডিও টিওটরিয়াল রয়েছে এবং জাভা প্রোগ্রামিং এর ডকুমেন্টেশন অনেক বড় এবং তথ্যবহুল । নিজেকে একজন ভাল জাভা প্রোগ্রামার হিসেবে গরে তুলতে, জাভা ডকুমেন্টেশন অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।



৬। আধুনিক শক্তিশালী Development Tools : জাভা প্রোগ্রামিং এবং ডেভেলোপমেন্টের জন্য রয়েছে আধুনিক এবং শক্তিশালী সব IDE (integrated development environment) যার মাধ্যমে অনেক সহজে জাভা প্রোগ্রাম লিখা যায় এবং শক্তিশালী অ্যাপ্লিকেশান তৈরি করা যায়। যেমনঃ Eclipse , NetBeans , IntelliJ IDEA , BlueJ , DrJava etc.



৭। বিশাল জাভা প্রোগ্রামার সম্প্রদায় ঃ সারা বিশ্যে ১০ মিলিয়নের বেশি জাভা ডেভেলোপার রয়েছে । অনেক Facebook Group এবং Online এর সাইট রয়েছে যেখানে অনেক ডেভেলোপাররা জাভা প্রোগ্রামিং বিষয়ক লিখালিখি এবং সমস্যা নিয়ে কথা বলে থাকেন এবং সমাধান দিয়ে থাকেন। ইচ্ছে করলে তাদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করারও সুযোগও রয়েছে ।



৮। বাস্তব জিবনে জাভার কিছু উদাহরণ ঃ Facebook, Amazon, LinkedIn এর মত জনপ্রিয় সাইটগুলু ডেভেলপমেন্ট করতে বিভিন্য জায়গায় জাভা ব্যবহৃত হয়ছে। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলোপ করতে বেশিরভাগ জায়গায় জাভা প্রোগ্রামিং ব্যবহার করা হয়েছে।তাছারা কিছুদিন আগেও এন্ড্রোয়েড অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে শুধুমাত্র জাভা প্রোগ্রামিং ব্যবহৃত হত কিন্তু জাভা ছাড়াও বর্তমানে অন্য ভাষা ও ব্যবহত হচ্ছে।



৯। চাকুরি ক্ষেত্রে জাভাঃ বর্তমানে বিভিন্ন জব সার্কুলারে সরাসরি জাভা জানা থাকতে হবে কিংবা জাভা ডেভেলপার নিয়োগ হয়ে থাকে। এছাড়াও আইটি সম্পর্কিত অনেক চাকুরিতে লিখিতো এবং ভাইভাতে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। সবশেষে বলতে গেলে জাভা প্রোগ্রামিং শিখলে অনেক চাকুরি রয়েছে ।

Thursday, February 6, 2020

তোমার আমার অসমাপ্ত প্রেম

তোমার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল ২০১৪ সালে শেষের দিকে প্রথম দেখায় তোমার প্রতি অনেক দুর্বল হয়ে গিয়েছিলাম বলতে গেলে তোমার প্রেমে পরে গিয়েছলাম । তুমি থাকতে আমার পাশের রুমে তাই তোমার সাথে খুব বেশি দেখা বা কথা হতো না । কিন্তু মাঝে মাঝে বিকেল বেলায় কথা হলেও খুব বেশি কিছু বলা হয়নি  । এস,এস,সি পরীক্ষার পরে আমি তোমাকে রেখে চলে গিয়েছিলাম মেস জিবনে । তখন তোমার সাথে আমার প্রতিদিন দেখা না হলেও প্রতি সপ্তাহে দেখা হতো অনেক কথা হতো ।তোমার সাথে আমার প্রেমের শুরুটা হয়েছিল ২০১৭ সালের শেষের দিকে । এইচ,এস,সি এর টেস্ট পরীক্ষার পরে আমি তোমাকে সাথে নিয়ে চলে গিয়েছিলাম রংপুরে । বলতে গেলে সেদিন এর পর থেকে তুমি আমার সাথেই থাকতে । আমি কখনও তোমাকে আমার চোখের আড়াল করিনি । মাঝে মধ্যেই তুমি আর আমি সারারাত গল্প করতাম,মুভি দেখতাম পড়াশুনাও করতাম  । গল্প শেষে তোমায় ঘুম পারিয়ে তারপর আমি ঘুমাতাম । তোমার সেসব কথা মনে পড়ে কিনা জানিনা তবে আমার আজও তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত মনে পড়ে । কলেজ জীবন শেষ করে ভার্সিটি জিবনের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করার সময়  তুমি আমি একসাথে বসেই আবেদন করেছিলাম । ভার্সিটিতে প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন শেষে তোমার কাছেই ফিরে আসতাম যেনো প্রতিটা রাতের কিছু সময় তোমার জন্য বরাদ্ধ করা থাকতো ।  তোমার সাথে আমার সম্পর্কটা প্রায় ৬বছরের । তুমি আমাকে এভাবে একা রেখে চলে যাবে আমি বুঝতে পারিনি । আজও আমি তোমাকে আমার স্বপ্নে দেখতে পাই, আজও রাতে ঘুম ভেঙে গেলে বিছানার পাশে তোমায় খুজতে থাকি ।  হয়ত তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার পরিমাণটা কম ছিল । তোমার সাথে আমার শেষ দেখা হওয়ার তারিখটা (০১-০২-২০২০) হয়তো সারা জীবন আমাকে তোমার কথা মনে করিয়ে দিবে । জানি তোমার সাথে জিবনে আর কখনও দেখা হবে না, তবুও তোমার অপেক্ষায় থাকবো ।


তোমার পরিচয় তো বলা হলো না
তুমি ছিলে আমার প্রথম ভালোলাগা ও ভালোবাসার ল্যাপটপ
ল্যাপটপ হারিয়ে ফেলার আবেগ 


Monday, October 21, 2019

স্বপ্ন যাদের ইঞ্জিনিয়ারিং


 

স্বপ্ন যাদের ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাটি তাদের জন্যঃ


আমাদের মধ্যে অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি ছোট বেলা থেকেই আবার অনেকে আছে যারা কম্পিউটার এর টানেও ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি । স্বপ্ন দেখলেও অনেকের পক্ষে সেটাকে বাস্তবে পরিণত সম্ভব হয়না, কারণ বাংলাদেশে পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি এর সংখ্যা অনেক কম এছাড়াও অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটি গুলোতে ইঞ্জিনিয়ারিং এর আসন সংখ্যা সীমিত । দেশে অনেক প্রাইভেট ভার্সিটি থাকলে সেখানে পড়তে ব্যয় করতে হয় অনেক অর্থ । যা মধ্যবিত্ত কিংবা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হয়না আবার অনেকের এস এস সি কিংবা এইচ এস সি তে রেজাল্ট খারাপ করার কারণে অনেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে । আজকের এই লেখাটি তাদের জন্য যাদের স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কিন্তু রেজাল্ট খারাপ অথবা পাবলিকে পড়ার ইচ্ছা তাদের জন্য ।


বর্তমান আমাদের দেশে পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি এর পাশাপাশি ৪টি পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রচলিত আছে । যেগুলো থেকে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স করানো হয় । একাডেমিক কার্যক্রম ইউনিভার্সিটি এর মতো হলেও প্রকৃত পক্ষে এগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ । বাংলাদেশের পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো হলোঃ
১।ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়রিং কলেজ -আসন সংখ্যাঃ ইইই (৬০) + সিভিল (৬০) + সিএসই (৬০)=১৮০
২।ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ -আসন সংখ্যাঃ ইইই (৬০) + সিভিল (৬০) + সিএসই (৬০)=১৮০
৩।বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ-আসন সংখ্যাঃ ইইই (৬০) + সিভিল (৬০)=১২০
৪।সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ-


যার মধ্যে প্রথম ৩টি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ এর সাথে যুক্ত রয়েছে এবং সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত রয়েছে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ এর সাথে যুক্ত হওয়ায় উক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা, একাডেমিক পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত হয় । এছাড়াও সার্টিফিকেট প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । তাই যাদের স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে আবেদন করতে পার ।

আবেদন করার যোগ্যতাঃ

এসএসসি (বিজ্ঞান)(মিনিমাম GPA ৩.0) বা সমমানের এবং এইচ.এস.সি (বিজ্ঞান)(মিনিমাম GPA ৩.0) এবং মোট GPA 6.0 সমমান বা তার বেশি । 

গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন পড়তে হবে ।

২০১৪ সালের আগে এসএসসি বা এ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেকনোলজি ইউনিট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯-২০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেকনোলজি ইউনিট ভর্তি আবেদন অনলাইন:
আগ্রহী প্রার্থীদের অবশ্যই ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
 

আবেদন করার পদ্ধতিঃ

১।ঢাবি ভর্তি ওয়েবসাইটে ( http://admission.eis.du.ac.bd/index.php?act=information/get_notices/tec ) ভর্তির সাধারন নির্দেশাবলি থাকবে।
২।আবেদন / লগইন বাটন ক্লিক করুন ।
৩।আপনার এইচএসসি রোল, পাসিং ইয়ার, পরীক্ষা বোর্ড এবং এসএসসি রোল দিন এবং পরবর্তী ক্লিক করুন।
৪।আপনি যদি DU অনার্সের জন্য কোনও ইউনিটের ভর্তি আবেদনকারী হন তবে আপনি আপনার ফটো দেখতে পাবেন।
৫।আপনি যদি নতুন আবেদনকারী হন, আপনার ফটো, মোবাইল নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিন
জমা দিন ক্লিক করুন ।
৬।এর পরে, যাচাইকরণের জন্য আপনাকে একটি এসএমএস পাঠাবে।
৭।16321 তে যেকোন অপারেটরের (টেলিটক ব্যতীত) এসএমএস পাঠান।
৮।ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য আপনি একটি নিশ্চিতকরণ কোড পাবেন।
৯।7 নম্বরের কোড দিন এবং পরবর্তী প্রক্রিয়াটি জমা দিন এবং অনুসরণ করুন।
উল্লেখিত Equivalence ID এইচ এস সি ও এস এস সি এর রোল এর স্থানে ব্যাবহার করে যথা নিয়মে টাকা জমা দেয়ার রশীদ গ্রহণ করতে হবে ।


ভর্তি পরীক্ষাঃ

১ । ভর্তি পরীক্ষা ১২০ মার্ক এর, প্রশ্ন ১২০টি, প্রতিটি প্রশ্নে ১ নাম্বার, MCQ পরীক্ষা হবে,কোন লিখিত পরীক্ষা হবে না । সময় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।
২ । মোট ১২০ টি প্রশ্ন হবে ১২০ নম্বরের ।
৩ । ইংরেজী ১৫, গণিত ৩৫, রসায়ন৩৫, পদার্থ ৩৫
৪ । পাশ নম্বর ৪৮ ও কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই।
৫। ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না ।


ফলাফলঃ

১ । মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে অর্জিত মেধাস্কোর অনুসারে মেধা তালিকা করা হবে যেখানে SSC পরীক্ষার প্রাপ্ত জি পি এ (৪র্থ বিষয় সহ) এর ৬ গুণ ও HSC এর ৮ গুণ ।
২ । ৪৮ এর কম পেলে মেধাস্কোর করা হবে না ।
৩ । ফলাফল ঢাবি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।


For more info join this group link https://www.facebook.com/groups/DUTechEngrColleges.EngineersDiary.com.BD/
visit for more [https://engineersdiarybd.com/fec/] (https://engineersdiarybd.com/fec/)




Md. Abid Hasan Rony
Department of CSE
Faridpur Engineering College.(FEC)


Thursday, August 8, 2019

Admission Test 04 ( Website link for university BD)

ভার্সিটির তথ্য দেখার ওয়েবসাইট:
1. University of Dhaka: www.du.ac.bd
2. Jagannath University: www.jnu.ac.bd
3. University of Chittagong: www.cu.ac.bd
4. Jahangirnagar University: www.juniv.edu
5. Rajshahi University: www.ru.ac.bd
6. Comilla University: www.cou.ac.bd
7. Khulna University: www.ku.ac.bd/
8. University of Professionals: www.bup.edu.bd
9. Islamic University, Kushtia: www.iu.ac.bd/
10. University of Barisal:http://barisaluniv.edu.bd
11. Begum Rokeya University, Rangpur: www.brur.ac.bd
12. Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University, Mymensingh: www.jkkniu.edu.bd
13. Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET): www.buet.ac.bd
14. Chittagong University of Engineering and Technology (CUET): www.cuet.ac.bd
15. Rajshahi University of Engineering and Technology (RUET): www.ruet.ac.bd
16. Khulna University of Engineering and Technology (KUET): www.kuet.ac.bd
17. Dhaka University of Engineering and Technology (DUET): www.duet.ac.bd
18. Bangladesh University of Textile: www.butex.edu.bd/
19. Chittagong Veterinary and Animal Science University: www.cvasu.ac.bd
20. Shahjalal University of Science and Technology (SUST): www.sust.edu
21. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science & Technology University, Gopalganj: www.bsmrstu.edu.bd
22. Mawlana Bhashani Science and Technology University: mbstu.ac.bd/index.html
23. Patuakhali Science and Technology University: www.pstu.ac.bd
24. Noakhali Science and Technology University: www.nstu.edu.bd
25. Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University: www.hstu.ac.bd
26. Pabna University of Science and Technology: www.pust.ac.bd
27. Jessore Science & Technology University: www.just.edu.bd
28. Bangladesh Agricultural University: www.bau.edu.bd
29. Bangabandhu Shaikh Mujibur Rahman Agricultural University, Gazipur: www.bsmrau.edu.bd
30. Sylhet Agricultural University: www.sylhetagrivarsity.edu.bd
31. Shere-E-Bangla Agricultural University: www.sau.edu.bd

Saturday, July 13, 2019

Admission Test 03

যে ১০ টি কারণে ভর্তি হবেন ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটিতে...

১। পড়াশুনা অত্যাধিক সহজ, পড়াশুনা করতে আপনার কোনো বেগ পেতেই হবে না। সবকিছু বুঝে বুঝে পড়তে পারলেই হবে।
২। ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাথে প্যারাটা ব্যস্তানুপাতিক। মানে যেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং সেখানে কোনো প্যারা নাই। একদম চিলের লাইফ।
৩।পরীক্ষার কোশ্চেন এতোটায় সহজ হয় যে কোশ্চেন হাতে পাওয়ার পর আপনার হাসতে মন চাইবে। এতো সহজ কোশ্চেনও স্যাররা দিতে পারে!
৪।সিজিপিএ আপনি যত চাইবেন ততই পাইবেন। এখানে হাসতে হাসতে সিজিপিএ উঠানো যায়। তাই এটা নিয়ে কোনো টেনশন করার দরকারই নাই।
৫।ল্যাব করার কোনো রকম কোনো প্যারা থাকে না, কোনো দিন ইচ্ছা হলে করলেন না হলে না করলেন।
৬।ল্যাব রিপোর্ট! এইটা তো মাসে ঘণ্টাখানেক লিখলেই হয়ে যাবে, না লিখেলও স্যাররা আপনাকে কিচ্ছু বলবে না।
৭।এইখানকার ম্যাথ,ফিজিক্স বা ডিপার্টমেন্টাল সাবজেক্ট গুলোর এক একটা ইকুয়েশন দেখলে হাসবেন, এতো সহজ ইকুয়েশনও হয় আবার!! ক্যালকুলেশন করতে শুধু যোগ বিয়োগ জানলেই আপনার হয়ে যাবে।
৮।আপনি এইখানে ছোট ছোট কোর্স শেষ করার জন্য সময় পাবেন অনেক। মানে এতো ছোট সিলেবাস আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
৯।এইখানে ছেলের থেকে সমসময়ই মেয়ে বেশী সো বুঝতেই পারতেছেন ঐ সেই ব্যাপারটা হয়েই যাবে। আর বিয়ের পাত্র হিসেবে তো সুপরিচিত আছেই।
১০।জব নিয়ে তো কোনো টেনশন করা লাগতেছেই না। আপনি বের হওয়ার আগে হাজার হাজার জবের অফার পেয়ে বসে থাকবেন।
সুতরাং এতসব সুযোগ সুবিধা পেতে আজই ইঞ্জিনিয়ারিং কোনো ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে যান।দেখবেন লাইফটা একদম চিলের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে।

এইগুলো শুধুমাত্র শান্তনা দেয়ার জন্য বিপরীত করে বলা হয়েছে!😐

Friday, May 24, 2019

Admission Test 2

ইন্টার পরীক্ষা দিয়েই আবেগে পোলাপান উদ্ভাস কোচিং এ ভর্তি হয়েই বয়ান দেওয়া শুরু করে"আরে বুয়েট ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল। বুয়েট ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো ভার্সিটি আছে???বুয়েট এ চান্স না পেলে আর পড়াশোনাই করবো না।
অত:পর প্রথম ডোজ হিসেবে  রেজাল্ট দেওয়ার পরে রেজাল্টে বাঁশ খাইয়া বাণী পাল্টাইয়া আবার বলা শুরু করে - বুয়েট আসলে কিছু না। ঢাবি ই সব,ঢাবি তেই পড়বো।ঢাবি ছাড়া অন্য কোনো ভার্সিটি তে মানুষ পড়ে?? সব তো গাধারা পড়ে ঢাবি বাদে অন্য ভার্সিটি গুলোতে।

ঢাবি তে এক্সাম দিয়ে রেজাল্ট শীটে যখন হারিকেন দিয়ে খুজেও পাস মার্ক দেখতে পারে না,তখন আবার দ্রুত পল্টি নিয়ে নতুন ডায়ালগ দেয়,ঢাবি ই কি সব না কি???ঢাবি বাদেও দেশের আরো ৩৯ টা পাবলিক ইউনিভার্সিটি আছে। ঢাবিও যা, অন্য গুলোও তা,পাবলিক ইজ পাবলিক।

যখন অন্য ভার্সিটি গুলোতেও নিজের নাম মেরিট লিস্টে হাজারবার চেক করে পায় না তখন ঠিক ই বুঝে যায় লাইফ টা আসলে এত্ত সহজ না। লাইফের প্রতিটা মুহূর্তে রয়েছে নাটকীয়তা। যে তুমি আগে বুয়েট, ঢাবি ছাড়া অন্য কোনো ভার্সিটি কে গোনার মধ্যেই ধরো নাই,,অন্য ভার্সিটিরর নাম শুনলে নাক সিটকিয়েছো, ঢাকার বাইরে বলে হাজারো ট্রল করেছো অথচ সেই ভার্সিটি তেই তোমার চান্স হইলো না।
এইরকম হাজারো ছেলে মেয়ের জীবনে হয়। যারা অন্য প্রতিষ্ঠান কে অবজ্ঞা করে,অসম্মান করে তারা একসময় ঠিকই বুঝতে পারে ঢাকার বাইরে,অজপাঁড়া গায়েরও একটা পাবলিক ভার্সিটি পড়তে না পারার আক্ষেপ টা কত বেশী।
Shariful Islam Nirob
BSMRSTU

Engineering College vs University

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রশ্ন ১ - ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কি?
প্রশ্ন ২ - ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কি আমাকে মানসম্মত ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশ কিংবা শিক্ষা দিতে পারবে?
প্রশ্ন ৩ - ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কেন পড়বো এবং পড়বো না?

অনেক সাধারণ কিছু প্রশ্ন, উত্তর গুলো ও বেশ সাধারণ। দেশে ৪০+ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভীরে
৪ টি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ মানসম্মত ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে আসলে কতটা গুরুত্ব বহন করে, তা এই
৩ টি প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে বলার চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশে ৪ টি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আছে এবং এগুলো স্নাতক পর্যায়ের ডিগ্রী প্রদান করে।
খাটি বাংলা ভাষায় একজন প্রোপার আইডিয়াল ইঞ্জিনিয়ার বানানোর আতুর ঘর বলা চলে। এমন কাজটা
দেশের ৫ টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় তো করেই সাথে বাকী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ও করে।
তবে কথায় আসি, ৪ টা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দরকার কি? আসলেই আলাদা ভাবে দরকার কি?
দরকার টা ছিলো ৫ টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কলেজ গুলোর থেকে দেশের জন্য মানসম্মত প্রকৌশলী  সৃষ্টি করা।
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কি তার একটা মোটামুটি উত্তর পাওয়া গেছে।
এবার আসি ২য় প্রশ্নে , এতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভীরে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কি আমাকে মানসম্মত ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশ কিংবা শিক্ষা দিতে পারবে?
পারবে কি একটা মানসম্মত ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করতে? মানের হিসেব টা বাংলাদেশে অনেক কঠিন কারণ এই স্ট্যান্ডার্ড ধরার মতো অপশন কম,
তুলনা যেহেতু করতেই হবে তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং স্পেশালাইজড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথেই করা যাক। বিশ্বের নামিদামি দেশ গুলো যেমন গবেষনাধর্মী
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করে আমাদের দেশে তেমন টা না হলেও আমাদের দেশে যা সাফল্য এদেশে দেখা যায় তা টেকনিক্যাল সাইড থেকেই দেখা যায়,
যেমন - ইঞ্জিনিয়ারিং,মেডিকেল,এগ্রিকালচার ইতায়াদি। সেটা যেই বিশ্ববিদ্যালয় ই হোক না কেন, হিসেব করলে
দেখা যাবে ১ বছরের সবচেয়ে বেশি গবেষনা
হয় ইঞ্জিনিয়ারিং না হয় ফার্মেসি,জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং,বায়োক্যামেস্ট্রি না হয় এগ্রিকালচার সাইড থেকেই হয়।
তাহলে বুঝাই যায় এদেশেও ইঞ্জিনিয়ারিং এ অন্তত কিছু হলেও মনোযোগ দেয় এদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো। আর সেটা যদি হয় ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়
তবে তারা শতভাগ দেয় তা তো বুঝাই যায়।
কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আসলে হয় কি? তাদের কি আসলেও এই ধরনের গবেষনার সুযোগ আছে?? আছে গবেষনার মতো ল্যাব??
সেদিকে পরে আসি, আগে দেখি সমসাময়িক দিকে ভাবলে এদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় তে কি কি আছে? যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তারা কি আপডেট করছে?
শুধু ২০১৮-১৯ বছরের সংযোজন গুলো,
*বুয়েটের নতুন সংযোজন রোবটিক্স ল্যাব
*কুয়েটের High Definition Visual Computing and Multimedia Lab
*রুয়েটের আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স ল্যাব
*২ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চুয়েটে স্থাপিত হতে যাচ্ছে "Smart Power system Simulation Lab" Importing from Canada
এটা তো এবছরের আপডেট ল্যাব ফ্যাসিলিটিস, প্রত্যেক বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন আপগ্রেড হতেই থাকে।
এছাড়াও দেশের সেরা এনিম্যাশন ল্যাব ঢাবি এবং ভি আর ল্যাব রাবি তে আছেই। সাস্টের ল্যাবের কথা বললেও কম হবে, যদিও এই ৩ টার একটাও পূর্নাঙ্গ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় নয়।
প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ই প্রতি বছর আলাদা ভাবে ৩০০+ কোটি টাকা করে বাজেট পায়, সেখানে উন্নয়ন বাজেট ও তো থাকে,
তবে সেখানেও গবেষণার বাজেট টা খুব সীমিত ই থাকে,
যার জন্য রেসিং কার বানিয়েও রুয়েটিয়ান রা খুব একটা সুবিধা করতে পারে নি।
এতো সীমাবদ্ধতার মাঝেও ন্যুনতম ফান্ডিং এ নানা রকম ইনোভেটিভ কাজ করে যাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
কিন্তু একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কি আছে? কি করতে পারে সেখানের শিক্ষার্থীরা? কতটুকু বাজেট ই পায় কলেজ গুলো?
কতটুকু আপগ্রেড হয় এইসব কলেজের ল্যাব?
এর একটা ছোট উদাহরণ দেই, কোন এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একবার ল্যাব রিপেয়ার করার কাজ চলছিলো যেখানে গিয়ে দেখা গেলো,
পিসিতে নতুন সিমুলেশন সফটওয়্যার রান করার মতো এনাফ কনফিগারেশন ই এভেইলেবল না। সস্তা ক্র্যাক ডিস্কের করা হলো সেটাপের কাজ,
ল্যাবের ২ টা সার্ভার টাওয়ার পরে রইলো এক কোণায়। সিএসই ল্যাবের এনিমেশন ল্যাবের পিসি কনফিগে র‍্যাম হলো ২ জিবি, অস্বাভাবিক কিছু না
যারা এ নিয়ে ন্যুনতম জ্ঞান রাখে তারা বুঝতেই পারবে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং স্পেশালাইজড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ বছর আগের ল্যাব এখন এসবে অচল হওয়ার পথে।
কারণ সরকার এসবের জন্য বছরে বছরে আপডেটের কোন অপশন এখানে দেয় নি।
এছাড়া বাস্তব কথা হলো শুধু সিমুলেশন ল্যাব নয় টোটাল কম্পিউটার ল্যাব কিংবা অন্যান্য ল্যাবের প্রোপার অরিজিনাল সফটওয়্যার সেবা কিংবা হাইস্পিড অপটিক ফাইবারের
ন্যুনতম সেবা কোন সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে নেই। নামে মাত্র ল্যাব থাকলেও কাজের জন্য কিংবা গবেষণার জন্য সেসব সমসাময়িক প্রযুক্তি থেকে অনেক পিছিয়ে।
যেখানে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে বছরে কোটি কোটি টাকা শুধু ল্যাব আপগ্রেডের পিছনে ব্যায় হয় সেখানে অবহেলায় থাকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,
এমনও উদাহরণ আছে,অনেক ল্যাবের যন্ত্র গুলো ১২ বছরে সেটাপ করার কথা এক বার ও কেও ভাবে নি, সেই ল্যাবের থিসিসের জন্য পাশের পলিটেকনিকেও যাওয়া লেগেছে অনেকের।
একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সীমাবদ্ধতা থেকেও তারা ইনোভেটিভ কাজ করার যে সুযোগ টা পায় তা তাদের ন্যুনতম মানের জন্য কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের
এই মান দিয়ে কি আদৌ স্ট্যান্ডার্ড লেভেলে পৌছানো সম্ভব?? কতটুকু মানসম্মত সেটার উত্তর আপনারাই খুজে নিন।
আমাদের দেশের অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী স্টুডেন্ট রা ন্যুনতম সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশ বিদেশে কম্পিটিশন চষে বেড়াচ্ছে, তবুও অভিযোগ আর বাস্তবতা হলো বিশ্ববিদ্যালয় তাদের তেমন সাপোর্ট দেয় না কিংবা যা দেয় তা এনাফ না।
তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একজন ছেলে কি পাচ্ছে? কতটুকু পাচ্ছে? কতটুকু যে নিজের স্বপ্নগুলা বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য সুযোগ পাচ্ছে? ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের স্টুডেন্ট দের ও তো
এসব কিছু পাওয়ার অধিকার আছে। তাদের ও অধিকার আছে ভালো ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার আর গবেষণার মিনিমাম পরিবেশ পাওয়ার। এখানে ভালোই বোঝা যাচ্ছে কতটুকু পাওয়া যাচ্ছে।
৪ টা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কে বছরে সর্বসাকুল্যে ২০ কোটি টাকা বাজেট দেয়া হয় কিনা সন্দেহ, তাদের ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্রেন্ডলি পরিবেশ, যুগের সাথে আপগ্রেড করা তো দূরে থাকুক।
এর মাঝে আবার নতুন আরো ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ যেখানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট বলে সঙ্গায়িত করা হয়েছে এক প্রকল্পে। এই হচ্ছে প্রকৌশল তৈরির নীতি নির্ধারকদের অবস্থা।
এবার আসি ফাইনাল প্রশ্নে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কেন পড়বো এবং পড়বো না?
ইচ্ছা যদি হয় ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট আর চাকুরি তাহলে পড়েন ,পাশ করে একটা চাকুরি নিয়ে নেন।
কারণ আর যাই হোক পাশ করে বেকার কেও বসে নেই।
কারো যদি প্যাশন থাকে ইঞ্জিনিয়ারিং তবে নিজেকে গোবরে পদ্মফুল হিসেবে ফোটানো ছাড়া এখানে পড়ার মানে নেই।
তারপর যার যার ইচ্ছাটাই মেইন।

অনেকে বলতে পারে, একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের স্টুডেন্ট কি করে এসব বলে। আসলে বিষয় গুলা আক্ষেপ থেকে বলা,
অধিকার আদায় না করার আক্ষেপ থেকে। আজ হিসবে করলে দেখা যাবে হাতে গোনা কিছু গবেষণা পত্র পাওয়া যাবে কলেজ থেকে পাবলিশ হওয়া,
আবার অনেকে এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। র‍্যাংকিং ইন্টারন্যাশনাল র‍্যাংকিং তো দূরের কথা। নিজের প্রতিষ্ঠান কি সেটাও ক্লিয়ার ভাবে জানে না আবার এ নিয়েও কেও চিন্তা করে না।
আক্ষেপ গুলোর ভাষা ই এমন হয়ে লেখায় প্রকাশ পেলো, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সিস্টেম টাই পুরো ভুলে ভরা অবস্থায় শুরু হয়েছে, যা মডিফাই করার
কোন যোগ্য জনবল ১ যুগেও হয়ে উঠে নি। এর মাঝে নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রজেক্ট সেগুলো কতটা দেশ ও জাতির উপকারে আসবে না জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দিবে সেটাই দেখার বিষয়।

তারিকুল ইসলাম
ইইই ডিপার্টমেন্ট
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

Tuesday, May 21, 2019

Admission Test 01

ছোটরা যারা এইচএসসি শেষ করেছে, তাদেরকে এই সত্য কথাগুলো জানাতে পারেন। খুব দামী!

আর অল্পকিছুদিন কষ্ট করে পড়ে একটা ভার্সিটিতে ভর্তি হও।

ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারলেই যা যা পাবা........

১. পড়াশোনা করা লাগবেনা
২. ক্লাস করতে হবেনা
৩. এক্সামও খুব একটা দেওয়া লাগবেনা

৪. ভর্তি হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন ২/৩ টা করে টিউশনির প্রস্তাব পাবা।

৫. শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা তো বাবা-মা'র চেয়েও বেশি আদর করে। ২৪ ঘন্টা খোজ খবর রাখে। এক্সাম ভালো না দিলেও প্রচুর মার্কস দেয়। তোমার যখন ক্যান্টিনে খেতে ভালো লাগবেনা। শিক্ষকরা বাসায় দাওয়াত করে খাওয়াবেন। তাদের আদর পেয়ে নিজের বাবা-মা'কেই ভুলে যাবা।

৬. ভার্সিটির ক্যান্টিনগুলোতে মজাদার সব খাবার পাবা। এতো স্বাদ আর মানসম্মত যে মায়ের হাতের রান্নার কথাও মনে পড়বেনা। কুব ট্যাশ!

৭. এই সময়ে এসে এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশনের ভয় অনেকেই দেখাবে তোমাকে। বিশ্বাস করো, এগুলাই নাই বললেই চলে ইউনিভার্সিটিতে। যা আছে খুবই গৌণ হিসেবে ধরা হয়। দিলে দিবা না দিলে নাই! আমি নিজে সাক্ষী।

৮. মোবাইলে জিপি থেকে যেভাবে প্রতিদিনই offer এর টেক্সট পাও৷ এইভাবেই মেয়েদের কাছ থেকে প্রেমের প্রস্তাব পাবা খালি। একটা সময় বিরক্ত লাগবে! এতো ওফার টফার! কার ভালো লাগে!

৯. ২৪ ঘন্টা খাবারের ব্যবস্থা আছে। যখন মন চাইবে খালি অর্ডার করলেই খাবার চলে আসবে।

১০. এখানে সবাই খুব রুটিন ফলো করে। তোমার বন্ধুবান্ধবরা রাত ১২টার পর কখনোই তোমাকে ডাকবেনা। কেননা, সবাই ১২টার আগেই ঘুমিয়ে পড়ে। কাক ডাকা ভোরে উঠিয়া যায়!

১১. অনেক ভালো ভালো বন্ধু। এইসব বন্ধুরা প্রয়োজনে তোমার জন্য কলিজা দান করে দিতে প্রস্তুত থাকবে। জীবনেও নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেনা এরা!

১২. পরিবেশতো খুবই ভালো। ২৪ ঘন্টা এয়ারকন্ডিশনিং রুমে থাকবা। প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা রুম থাকবে হলে। এক একটা রুম একটা বাড়ির সমান। অনেক রুমেতো পারসোনাল সুইমিংপুলও আছে।

১৩. থাকার জায়গায় কোনো ঝামেলাই নাই। জানালার পাশ থেকে বেলীফুলের ঘ্রাণ আসবে। ফোমের বিছানা। ছাড়পোকার কথা যারা বলে ওরা ভার্সিটিবিদ্বেষী!

১৪. আর চাকরি? গ্রাজুয়েশন শেষ করার আগেই দেখবা বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্ট হল গেইটে বসে আছে। চাকরি নিজেই তোমাকে খোজা শুরু করবে তুমি ভর্তি হওয়ার পর থেকেই! তুমি খুজতে হবেনা!

১৫. ভর্তি হয়ে চাইলে বিয়েও করে ফেলতে পারবা। পাত্রীর বাবাকে গিয়ে বললেই হবে ভার্সিটিতে পড়ো।

আপাতত এগুলাই, আরও অনেক চমক আছে। খালি একবার ভর্তিটা হইলেই টের পাবা! প্রচুর আরাম!!

Collected

Monday, May 20, 2019

Engineers Life Story 1


Engineers Life Story 1 

       অনেক ছোট থাকতে,যখন বুঝতাম ই না তখনই সবাই বলতে লাগল 'জিদান' ইঞ্জিনিয়ার হবে,অথচ ইঞ্জিনিয়ার মানেটা কি তাই বুঝতাম না। আমার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে,আমার নাতি ইঞ্জিনিয়ার হবে, আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার হবে শুনতে শুনতে অনেক সময় বিরক্তি লাগা শুরু করল।ক্লাস ৫ এ খারাপ রেজাল্ট, ৮এ খারাপ রেজাল্ট করার পর এসএসসি তে একটু ভালো হয়েও এইচএসসি তে জিপিএ ৪ .. ছেলে পুরা নষ্ট হয়ে গেছে। গেলাম ভর্তি পরীক্ষা দিতে জিপিএ ৪পয়েন্ট নিয়া। এত জায়গায় পরীক্ষা দিয়েও কোনও লাভ নাই।পজিশন আসলেও চান্স পাওয়ার মত কোনো জায়গায় পজিশন আসেনি।যে আম্মু প্রত্যেকটা ভার্সিটিতে প্রত্যেক ইউনিট এ ফর্ম তুলতে বলত সেও একসময় আশা হারিয়ে ফেলল।সবাই ধরেই নিল চান্স হবেইনা।শেষে মাত্র দুইটা জায়গায় পরীক্ষা বাকি ঢাবির প্রযুক্তি ইউনিট আর বুটেক্সের অধীনে টেক্সটাইল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা।আল্লাহর রহমতে শেষমেষ দুই জায়গায় ই চান্স হল।জিপিএ ৪ নিয়ে কোনো জায়গায় চান্স না পাওয়া ছেলেটিও ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হল। সবার আশা পূরণ হল। 


        অথচ একবার কেও জানতেও চাইল না আমার কিসে ভালো লাগে, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পাশাপাশি আর কোনও চাওয়া আছে কিনা।ছোটবেলা থেকেই গীটারের প্রতি খুব টান ছিল আমার,ইচ্ছা ছিল বড় একটা শিল্পী হব।অথচ একটা গিটারই পেলাম না এখনও🙂।শখের বশে দুই একটা ছবি তুলি মাঝে মাঝে,তাতেও কিছু মানুষের সমস্যা,ছেলে পড়ালেখা করে না,জীবনে এত কিছু একসাথে হবে না হেন তেন।সবার চাওয়া পূরণ করতে পারলেও আমার চাওয়ার দিকে কেও তাকিয়েও দেখবেনা🙂


       দায়িত্ব নেওয়া শেখার জন্য হলাম সি আর। নিজে যতটা পারি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি সবাইকে সাহায্য করার জন্য,যতটা ডেডিকেটেড থাকা যায় ততটাই চেষ্টা করি,তবুও কিছু মানুষের মন জয় করতে পারিনা। 


       এতদিনের জীবনে এইটুকু বুঝা হয়ে গেছে,আপনি যত চেষ্টাই করুন না কেন,সবার মন জয় করে চলতে পারবেন না।ভালো থাকুক সবাই



Zinadine Zidane Neloy
Department of CE 
Faridpur Engineering College

Monday, April 29, 2019

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নিয়ে কিছু প্রশ্ন-উত্তর


ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নিয়ে যত কথা

১। কলেজ নাকি ভার্সিটি ?
      উত্তরঃ ফারিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ঢাকা ইউনিভার্সিটি এর প্রযুক্তি ইউনিট এর অন্তর্ভুক্ত । যেহেতু ঢাকা ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত তাই বলতে গেলে এটি ঢাকা ইউনিভার্সিটির একটি ইন্সটিটিউট । এটি একটি কলেজ কিন্তু কার্যক্রম ইউনিভার্সিটি এর মতো ।

২। কী কী বিষয় আছে এই কলেজে ?
      উত্তরঃ সিএসই , ইইই , সিভিল । (প্রতিটি বিষয়ে আসন ৬০ টি করে )

৩। এইটা পাবলিক নাকি প্রাইভেট ?
      উত্তরঃ এইটা সম্পূর্ণ পাবলিক কলেজ । বাংলাদেশে এমন পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ৪টা আছে । ময়মন্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ , ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ , বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ।

৪। এই কলেজে কিভাবে ভর্তি হতে হয় ?
      উত্তরঃ ঢাকা ইউনিভার্সিটি এর প্রযুক্তি ইউনিটে আবেদন করে ভর্তি পরিক্ষার মাধ্যমে এই কলেজে ভর্তি নেয়া হয় । ভর্তি পরিক্ষার প্রশ্নপত্র ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে করা হয় এবং ফলাফল ঢাকা ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় । এছাড়াও সকল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ঢাকা ইউনিভার্সিটি করে থাকে ।

৫। হল সুবিধা আছে ?
      উত্তরঃ ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ছেলেদের ২টা এবং মেয়েদের জন্য একটি হল আছে ।

৬। বিএসসি ইন অনার্স নাকি বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ?
      উত্তরঃ ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি করানো হয় ।

৭। সার্টিফিকেট এর মান কেমন ?
      উত্তরঃ ইঞ্জিনিয়ারিং এ যদিও রেসাল্ট দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না । কাজের দক্ষতারর উপর জব নিরভর করে । তবুও অনেকের প্রশ্ন সার্টিফিকেট এর মান কেমন । সহজ ভাবে বলি এই কলেজের সার্টিফিকেট দিবে ঢাকা ইউনিভার্সিটি । সার্টিফিকেটে শুধু হল এর যায়গায় ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ লেখা থাকবে ।

Sunday, April 14, 2019

My Admission History


      আমার ভার্সিটি ভর্তি পরিক্ষার গল্পটা হয়তো সবার মত নয় । SSC পরিক্ষা দিয়েছিলাম ২০১৬ সালে গ্রামের একটি মাদ্রাসা থেকে আশা ছিল এ+ পাবো কিন্তু যেদিন রেজাল্ট দিল, আমার এক বন্ধু সোহেল আমাকে ফোন দিয়ে বললো তুই ৪.৩৯ পেয়েছিস ওর কথা কেনো জানি না আমার বিশ্বাস হচ্ছিলনা, অনেক কষ্ট করে নিজের ফোনে রেজাল্টটা দেখলাম দেখার পর বুঝতে পারলাম সোহেল মিথ্যা বলেনি । সেদিন অনেক কেঁদেছিলাম সবাই আম্মুর ফোন কল দিচ্ছিল রেজাল্ট জানতে আমার খুব খারাপ লাগছিল আরো বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম যখন চাচাত ভাই ফোন দিয়ে বলল কিরে তোর রেজাল্ট এর কি খবর আমিতো এ+ পাইচি একটুর জন্য গোল্ডেন মিস গেছে ।
        তারপর কলেজে ভর্তি শুরু হলো ছোট বেলা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রতি একটু আলাদা টান কাজ করতো যদিও আমি কখনই ভাল ছাত্র ছিলাম নাহ । আমাদের সময় কলেজে ভর্তি নিতো GPA  মার্ক এর উপর অনলাইনে কলেজ চয়েজ দেয়ার মাধ্যমে । যেহেতু সায়েন্স নিয়ে পড়বো তাই ১০টা কলেজের নাম সিলেক্ট করে ফর্ম সাবমিট করলাম । যেদিন কলেজ এর সিলেকশন দিল আমি সব কলেজেই ওয়েটিং এ ছিলাম । আমার বন্ধুরা অনেক ভাল ভাল কলেজে ভর্তি হয়ে গেল কিছুদিন পর আবার ওয়েটিং এর রেজাল্ট দিলে আমিও একটি কলেজে সায়েন্স নিয়ে ভর্তি হয়ে গেলাম ।
         এরপর এইছএসসি পরীক্ষা দিয়ে কোচিং করার জন্য ঢাকায় ভর্তি হলাম । এস এস সি রেজাল্ট খারাপ এর পরেও ক ইউনিট এর কোচিং এ ভর্তি হয়েছি শুনে অনেকে হাসাহাসি ও করেছিল বুয়েটে চাঞ্জ পাবি এইসব বলেও অনেকে মজা করতো কারণ তারা ভালো করেই জানত বুয়েটে পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা আমার নেই । ১-২ মাস পরেই এইচ এস সি এর রেজাল্ট দিলো আমি বরাবরের মতো অনেক রেজাল্ট করেছি সেদিন আমার ফোন ১০২ তা ফোন এসেছিল একটাও রিসিভ করার সাহস হয়নি কারণ আমি ৩.৯২ পেয়েছি । স্যাররা যেন আমার রেজাল্ট দেখে বিশ্বাস ই করতে পারছিল নাহ । পরে যেদিন কলেজ এর স্যারদের সাথে কথা বললাম স্যাররা বলেছিল রেজাল্ট যাই হোক দেখবে তোমার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করতেছে । শুনে অনেক ভালো লেগেছিল কথাটা । তবে কোচিং এ যখন ভাইয়া রা সবার রেজাল্ট জানতে চাইত আমি খুবই অপমান বোধ করতাম । অনেকেই রেজাল্ট এর পর বলতে লাগলো এখনও ঘ ইউনিট এর কোচিং কর । কিন্তু আমি হাল ছারিনি ।
          তারপর শুরু হলো বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার আবেদন । সবাই যখন বুয়েট মেডিকেল রুয়েট চুয়েটে আবেদন করতে বেস্ত তখন আমি আবেদন করতে লাগলাম যে সকল ইউনিভার্সিটিতে রেজাল্ট এর উপর কম মার্ক রয়েছে সেই সকল ইউনিভার্সিটিতে । ঢাকা ইউনিভার্সিটি তে আবেদন এর সময় DU technology Unit এ আবেদন করে রেখেছিলাম । কারণ আমার বাসা থেকে বলে দিয়েছিল পাবলিক ইউনিভার্সিটি ভর্তি হতে না পারলে প্রাইভেটে পরাবে নাহ । এক এক করে অনেক ইউনিভার্সিটিতে এক্সাম দিলাম ।
রেজাল্ট আসলোঃ
         DU A unit - Fail 
         JnU - position (5000+)
                    BSMRSTU A unit - position (1200+) 
                    BSMRSTU B unit - position (1400+)
                    BRUR D unit - position (275) subject : phy che math
                    SUST - you are not in list
                    Dhaka 7college - position (2752) college: dhaka college
                    PUST - position (2317 with math)
                    JUST - position (739 maybe)
                    Dhaka University Technology Unit : position (383) subject : CSE


         ২০১৯ এইছ.এস.সি পরিক্ষারথিদের উদ্দেশ্যেঃ আমি যদি SSC - 4.39 and HSC - 3.92 GPA নিয়ে পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে পরতে পারি তাহলে তোমরাও অবশ্যই পারবে । যাদের স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার কিন্তু GPA কম তারা সকলে DU technology Unit এ আবেদন করে রেখো ।

          আমি বিশ্বাস করি জীবনে সব থেকে বড় প্রতিশোধ হচ্ছে সফলতা ।


MD  ABID HASAN RONI
DEPT. OF CSE
session : 2018-2019
FARIDPUR ENGINEERING COLLEGE
FACULTY OF ENGINEERING TECHNOLOGY at UNIVERSITY OF DHAKA (DU)